AOW Bangla News

প্রতিদিনে বাংলাদেশ সর্ম্পকীত যেকোন সংবাদ, তাছাড়া বাংলাদেশের সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীর শক্তি সর্ম্পকীত যেকোন সংবাদ। দুই বা ততোধিক দেশের মধ্যে সামরিক শক্তির দিক থেকে কে বেশি শক্তিশালী তাদের ভিডিও নিউজ আপডেট এবং সর্বপোরী জাতীয়, আর্ন্তজাতিক, বিনোদন ও খেলাধুলা সর্ম্পকীত যাবতীয় ভিডিও নিউজ আপডেট পাবেন AOW News ব্লগে। অবশ্যই AOW News ব্লগটি বুকমার্ক করে রাখুন যাতে করে পরবর্তীআতে আপনার খুঁজে পেতে সুবিধা হয়।

LightBlog

Breaking

ফিলিস্তিন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ফিলিস্তিন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮

ফেব্রুয়ারী ১৯, ২০১৮
মোদী’জি কার পক্ষে ?? নাকি সব স্বার্থের খেলা ?? ফিলিস্তিন কি প্রতারণা স্বীকার ??

ফিলিস্তিন সংকট। বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে চলমান অমীমাংসিত ইস্যুগুলোর একটি। বলা যায়, ইসরায়েলি দখলদারি আর যুক্তরাষ্ট্রের একচোখা নীতির কারণে জিইয়ে রয়েছে এই সংকট। 

এমন দেশ খুঁজে পাওয়া কঠিন, যে দেশ দখলদার ইসরায়েল ও নিপীড়িত ফিলিস্তিন—দুই পক্ষের সঙ্গেই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়তে ব্যস্ত। আপাতদৃষ্টিতে যেন সেই কাজই করছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু কারও পক্ষে বিবদমান দুই গোষ্ঠীরই প্রকৃত বন্ধু হওয়া কি সম্ভব?

গত সপ্তাহেই ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ফিলিস্তিন সফর করেন মোদি। এই সফরে তিনি রামাল্লায় ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে বৈঠক করেন। মোদিকে ‘মহান অতিথি’ হিসেবে অভিহিত করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনে ভারতের সমর্থন চান আব্বাস। 

মোদিও ঘোষণা দেন, নয়াদিল্লি খুব শিগগির স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র দেখতে চায়। তিনি টুইট করেন, ‘ভারত-ফিলিস্তিনের বন্ধুত্ব সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। প্রযুক্তি, অবকাঠামোসহ গুরুত্বপূর্ণ নানা খাতে ভারত-ফিলিস্তিনের পারস্পরিক যে সহযোগিতা চলছে, তাতে আমি আনন্দিত।’



এই মোদিই সাত মাস আগে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইসরায়েল সফর করেন। সেখানে দেওয়া ভাষণে মোদি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে বন্ধু সম্বোধন করেন। বলেন, ‘বন্ধুত্ব শুধু আমাদের দুই দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, মোদি-নেতানিয়াহুরও রয়েছে বন্ধুত্বের সম্পর্ক।’ 

এর ধারাবাহিকতায় গত মাসে ভারত সফর করেন নেতানিয়াহু। তিনি ভারতকে ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ বলে অভিহিত করেন। প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, জ্বালানি, কৃষিসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতার জন্য সমঝোতা হয় ‘দুই বন্ধুর’।


ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের পর ভারত ফিলিস্তিনকেও গুরুত্ব দিচ্ছে—এর আরেকটি কারণ হলো জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়ার উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে ভারতের। এটা পেতে হলে জাতিসংঘের সংস্কার প্রয়োজন।

এই সংস্কারের জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের সমর্থন দরকার। এই সমর্থন পেতে নয়াদিল্লিকেও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা অর্জন করতে হবে। এটাও প্রমাণ করতে হবে—
আন্তর্জাতিক আইন-রীতির, শৃঙ্খলা, মানবিকতার প্রতি নয়াদিল্লির অকুণ্ঠ সমর্থন রয়েছে। সেই দিক বিবেচনায় ফিলিস্তিনকে সমর্থন দিতেই হবে মোদির।
ভিডিওতে আরো বিস্তারিত থাকছে..