AOW Bangla News

প্রতিদিনে বাংলাদেশ সর্ম্পকীত যেকোন সংবাদ, তাছাড়া বাংলাদেশের সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীর শক্তি সর্ম্পকীত যেকোন সংবাদ। দুই বা ততোধিক দেশের মধ্যে সামরিক শক্তির দিক থেকে কে বেশি শক্তিশালী তাদের ভিডিও নিউজ আপডেট এবং সর্বপোরী জাতীয়, আর্ন্তজাতিক, বিনোদন ও খেলাধুলা সর্ম্পকীত যাবতীয় ভিডিও নিউজ আপডেট পাবেন AOW News ব্লগে। অবশ্যই AOW News ব্লগটি বুকমার্ক করে রাখুন যাতে করে পরবর্তীআতে আপনার খুঁজে পেতে সুবিধা হয়।

LightBlog

Breaking

bangladesh swat team news লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
bangladesh swat team news লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮

ফেব্রুয়ারী ১৯, ২০১৮

বাংলাদেশের সেরা এই ছয় ফোর্সের ভয়ে শত্রুপক্ষ কাঁপে- তৃতীয় পর্ব 

  • সোয়াট
স্পেশাল উইপন্স অ্যান্ড ট্যাকটিক্স
আমেরিকার সোয়াট টিমের আদলে, তাদেরই অর্থায়নে, তাদেরই ট্রেনিংয়ে এবং তাদেরই সব ইক্যুইপমেন্টে সজ্জিত হয়ে বাংলাদেশেও যাত্রা শুরু করে তাদেরই সমান আকৃতির একটা সোয়াট টিম। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ স্পেশাল উইপন্স অ্যান্ড ট্যাকটিক্স টিম- সোয়াট।
ধরণ: ছোট্ট টিম, পুরোপুরি উদ্ধার অভিযান কেন্দ্রীক। সোয়াটের ধারণাটা সুন্দর। শুরু আমেরিকায়। যেসব সংস্থায় সশস্ত্র উদ্ধারকাজ দরকার হতে পারে, তেমন সব সংস্থার জন্য একই ধরনের একটা করে টিম গঠন করে দেওয়া হয়। এই টিমগুলির ট্রেনিং একই রকম, সামান্য এদিক সেদিক। কিন্তু তারা থাকবে লোকালাইজড সংস্থার সঙ্গে । যেমন, এফবআই’র নগরভিত্তিক প্রতিটা অফিসে, পুলিশের প্রতিটা বড় ইউনিটে ছোট একটা করে সোয়াট টিম, কোস্টগার্ড, বর্ডারগার্ড, কাস্টমস, ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন- সর্বত্র।
নিয়োগ: খুবই শক্তপোক্ত নিয়োগ হয় এই ফোর্সটায়। শারীরিক হার্ডওয়ার্কের উপর বিশেষ নজর দেওয়া হয়। আকৃতি: সব সোয়াট টিমই পঁচিশ-পঁয়তাল্লিশজনে সীমাবদ্ধ।
ট্রেনিং: লোকে বলে, ফুড সাপ্লিমেন্ট দিয়ে তাদের ব্যায়ামের পরিমাণ ও সহ্যক্ষমতা বাড়ানো হয়, তারপর এক্সটেন্সিভ এক্সারসাইজ এর মাধ্যমে তৈরি করা হয় মাসলম্যান।
গোপনীয়তা: মনে তো হয় খুব। কারণ, কোন অপারেশনের কথা জানা যায় না, স্ট্রিট ডিউটি (যা মূলত শো অফ) এই দেখা গেছে বাংলাদেশের সোয়াটদের।

কাজের ক্ষেত্র: ডিএমপি কমিশনারের সরাসরি নির্দেশে পরিচালিত।
বিশেষায়িত অস্ত্র: মার্কিন সোয়াট ও মেরিন স্ট্যান্ডার্ডের সব অস্ত্র। সামনে নাকি হামভি জিপও আনা হবে কাজে গতি সঞ্চারের জন্য।

রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮

ফেব্রুয়ারী ১৮, ২০১৮

বাংলাদেশের গোয়েন্দা: সেরা এই ছয় ফোর্সের ভয়ে শত্রুপক্ষ কাঁপে- 2য় পর্ব

  • সোয়াট 

স্পেশাল উইপন্স অ্যান্ড ট্যাকটিক্স
আমেরিকার সোয়াট টিমের আদলে, তাদেরই অর্থায়নে, তাদেরই ট্রেনিংয়ে এবং তাদেরই সব ইক্যুইপমেন্টে সজ্জিত হয়ে বাংলাদেশেও যাত্রা শুরু করে তাদেরই সমান আকৃতির একটা সোয়াট টিম। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ স্পেশাল উইপন্স অ্যান্ড ট্যাকটিক্স টিম- সোয়াট।
ধরণ: ছোট্ট টিম, পুরোপুরি উদ্ধার অভিযান কেন্দ্রীক। সোয়াটের ধারণাটা সুন্দর। শুরু আমেরিকায়। যেসব সংস্থায় সশস্ত্র উদ্ধারকাজ দরকার হতে পারে, তেমন সব সংস্থার জন্য একই ধরনের একটা করে টিম গঠন করে দেওয়া হয়। এই টিমগুলির ট্রেনিং একই রকম, সামান্য এদিক সেদিক। 
কিন্তু তারা থাকবে লোকালাইজড সংস্থার সঙ্গে । যেমন, এফবআই’র নগরভিত্তিক প্রতিটা অফিসে, পুলিশের প্রতিটা বড় ইউনিটে ছোট একটা করে সোয়াট টিম, কোস্টগার্ড, বর্ডারগার্ড, কাস্টমস, ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন- সর্বত্র।
নিয়োগ: খুবই শক্তপোক্ত নিয়োগ হয় এই ফোর্সটায়। শারীরিক হার্ডওয়ার্কের উপর বিশেষ নজর দেওয়া হয়। আকৃতি: সব সোয়াট টিমই পঁচিশ-পঁয়তাল্লিশজনে সীমাবদ্ধ।
ট্রেনিং: লোকে বলে, ফুড সাপ্লিমেন্ট দিয়ে তাদের ব্যায়ামের পরিমাণ ও সহ্যক্ষমতা বাড়ানো হয়, তারপর এক্সটেন্সিভ এক্সারসাইজ এর মাধ্যমে তৈরি করা হয় মাসলম্যান।
গোপনীয়তা: মনে তো হয় খুব। কারণ, কোন অপারেশনের কথা জানা যায় না, স্ট্রিট ডিউটি (যা মূলত শো অফ) এই দেখা গেছে বাংলাদেশের সোয়াটদের।
কাজের ক্ষেত্র: ডিএমপি কমিশনারের সরাসরি নির্দেশে পরিচালিত।
বিশেষায়িত অস্ত্র: মার্কিন সোয়াট ও মেরিন স্ট্যান্ডার্ডের সব অস্ত্র। সামনে নাকি হামভি জিপও আনা হবে কাজে গতি সঞ্চারের জন্য।