AOW Bangla News

প্রতিদিনে বাংলাদেশ সর্ম্পকীত যেকোন সংবাদ, তাছাড়া বাংলাদেশের সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীর শক্তি সর্ম্পকীত যেকোন সংবাদ। দুই বা ততোধিক দেশের মধ্যে সামরিক শক্তির দিক থেকে কে বেশি শক্তিশালী তাদের ভিডিও নিউজ আপডেট এবং সর্বপোরী জাতীয়, আর্ন্তজাতিক, বিনোদন ও খেলাধুলা সর্ম্পকীত যাবতীয় ভিডিও নিউজ আপডেট পাবেন AOW News ব্লগে। অবশ্যই AOW News ব্লগটি বুকমার্ক করে রাখুন যাতে করে পরবর্তীআতে আপনার খুঁজে পেতে সুবিধা হয়।

LightBlog

Breaking

india-bangladesh লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
india-bangladesh লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ১৬ মার্চ, ২০১৮

মার্চ ১৬, ২০১৮

বাংলাদেশি বিমান বাজেয়াপ্ত করছে ভারত


পার্কিং ফি না দিয়ে ভারতের ছত্তিশগড়ে রায়পুরের মানা বিমানবন্দরের পার্কিং বে -তে দীর্ঘ ৩ বছর ধরে দাঁড়িয়ে থাকায় বাংলাদেশের একটি বেসরকারি বিমান সংস্থার বিমান বাজেয়াপ্ত করার সিদ্ধান্ত নিতে চলছে ভারত।
বিমানবন্দর সূত্রের খবর, বাংলাদেশের বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউনাইটেড এয়ারের ২২০ আসন বিশিষ্ট এই বিমানটি ২০১৫ সালে ঢাকা থেকে ওমানের রাজধানী মাসকট যাওয়ার পথে ইঞ্জিনের সমস্যায় জরুরি অবতরণ করে মানা বিমানবন্দরে। তারপর থেকেই বিমানটি রানওয়ের পাশে পার্কি বে-তে দাঁড়িয়ে আছে। ২০১৬ সাল একবার বাংলাদেশ থেকে ইঞ্জিনিয়ার নিয়ে এসে মেরামত করার চেষ্টা করার পাশাপাশি বিমানটির ইঞ্জিন বদল করেও কোনো লাভ হয়নি। এতে ব্যর্থ হয় বিমানটিকে ফের উড়িয়ে বাংলাদেশে নিয়ে আসার সব চেষ্টা।
অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘ ৩ বছর ধরে পার্কি বে-তে থাকার কারণ বিমানটির পার্কিং ফি বাবদ বকেয়া টাকাও পরিশাধ করা হয়নি বিমান সংস্থাটির পক্ষ থেকে। ইতিমধ্যেই পার্কিং ফি বাবদ পাওনা বেড়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৬০ লক্ষ রুপি। যা নিয়ে বার বার চিঠি দিয়েও কোনোও সদুত্তর পাওয়া যায়নি ইউনাইটেড এইয়্যারের তরফে। গত ৩০শে আগস্ট ২০১৬ ইউনাইটেড জানায়, আইনগত কিছু জটিলতার কারনে বিমানটিক উড়িয়ে বাইরে আনা সম্ভব নয়।
বিস্তারিত- 


বৃহস্পতিবার, ১৫ মার্চ, ২০১৮

মার্চ ১৫, ২০১৮
ভারত ছাড়া বাংলাদেশ অচল !! ভারতের উপর কতটুকু নির্ভরশীল বাংলাদেশ? Bangladesh Depends on India | 



বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ ভেবে থাকে ইন্ডিয়া ছাড়া বাংলাদেশ অচল। এক মাস বর্ডার বন্ধ হয়ে গেলে বাংলাদেশ না খেয়ে মরবে। ও হ্যা। ইন্ডিয়ার কিছু মানুষ ও সেটাই ভাবে। সোশাল মিডিয়ার বদৌলতে এরকম অনেক মন্তব্যের সম্মুখীন হতে হয়েছে। আসুন জেনে নেই বাস্তবতা।

১. বিশ্বে কোন দেশ সয়ংসম্পুর্ন না। আর এজন্যই আমদানি এবং রপ্তানী উৎপত্তি। ঘাটতি থাকলে বিদেশ থেকে আমদানি করে মেটাতে হয়। আর নিজের দেশের উপার্জনের জন্য রপ্তানি করা লাগে। আর ট্রেডে ব্যাল্যান্স রাখতে গেলে আমদানি রপ্তানি দুইটার ভারসাম্য রক্ষা করতে হয়। ইন্ডিয়া বা বাংলাদেশের মত থার্ড ওয়ার্ল্ড দেশের জন্য রপ্তানি খুবই গুরুত্ববহ। একারনেই বিদেশের বাজার খুজতে হন্যে হয়ে উঠেপড়ে লেগেছে বিভিন্ন দেশ।


প্রতিযোগিতার বাজারে উৎস এখন অনেক। সবাই তাদের বেস্ট প্রডাক্ট অফার করে নিজেদের রপ্তানি বাজার ধরে রাখতে চাই। মুক্ত বাজার অর্থনীতি এখন বাজারকে সারা বিশ্বে উন্মুক্ত করে দিয়েছে। আর এই বাজারে নিজের রপ্তানি বাজার ধরে রাখায় সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ।

বিস্তারিত থাকছে ভিডিওতে- 

মঙ্গলবার, ১৩ মার্চ, ২০১৮

মার্চ ১৩, ২০১৮
বাংলাদেশের পা চাটতে আসছে মোদী’জী !! চীন’কে ঠেকাতে বাংলাদেশের প্রতি নয়া কৌশল !! Bangladesh India | 


ভারতের বর্তমান সরকারের ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির ভিত্তিতে দক্ষিণ এশীয় অংশীদারদের প্রতি নয়া দিল্লির সমর্থন তুলে ধরতে শিগগিরই বাংলাদেশ ও নেপাল সফরের পরিকল্পনা করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
নেপালের সম্প্রতিক নির্বাচনের পর থেকে কাঠমান্ডুর সঙ্গে নয়া দিল্লি’র সম্পর্ক কিছুটা উষ্ণ হলেও বাংলাদেশে মোদির সফরটি বেশ জটিল হতে পারে। বাংলাদেশে চলতি বছরেই সাধারণ নির্বাচন। এর আগে দেশটির শেখ হাসিনা সরকার ভারতের সঙ্গে তিস্তা নদীর পানিচুক্তি সই করতে চায়।
আরো বিস্তারিত থাকছে ভিডিওতে- 

সোমবার, ১২ মার্চ, ২০১৮

মার্চ ১২, ২০১৮
 তিস্তা নিয়ে খেলা !! দিদিকে বুঝিয়েই তিস্তা চুক্তি সম্পাদনের পথে মোদী !! দিল্লী-ঢাকা সম্পর্ক !! 


তিস্তা জলবণ্টন চুক্তিতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজি করাতে কেন্দ্রীয় সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে৷ রবিবার নয়াদিল্লিতে ইন্টারন্যাশনাল সোলার অ্যালায়েন্স বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ আব্দুল হামিদকে এমনই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷
বৈঠকে আলোচনা হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বুঝিয়েই বাংলাদেশের বহু আঙ্খাকিত এই জলচুক্তি সম্পাদন করা হবে৷ উল্লেখ্য, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তিতেই তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি আটকে রয়েছে৷
বিস্তারিত থাকছে ভিডিওতে- 

সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮

ফেব্রুয়ারী ১৯, ২০১৮
আবারো বাংলাদেশ’কে নিয়ে কাড়াকাড়ি চীন-ভারতের !! এবার দেনদরবার চলছে শেয়ার মার্কেট নিয়ে !!

স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ২৫ শতাংশ শেয়ার পেতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে চিন এবং ভারত। ডিএসই’র এই ২৫ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা কেনার জন্য দুই দেশই মরিয়া।
ডিএসই’র ২৫ শতাংশে রয়েছে ২.৮ বিলিয়ন শেয়ার। ডিএসই কর্তৃপক্ষ চিনের সাংহাই ও শেনঝেন স্টক এক্সচেঞ্জের একটি কনসোর্টিয়ামের প্রস্তাব বিবেচনা করছিল। তারা প্রতিটি শেয়ার ২২ টাকা (০.২৬ ডলার) দরে কেনার প্রস্তাব দিয়ে সর্বোচ্চ দরদাতা হয়েছিল। এতে ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকার কারিগরি সহযোগিতার প্রস্তাবও ছিল। অন্যদিকে ভারতের প্রস্তাব ছিল শেয়ার প্রতি ১৫ টাকার।
চিনের সঙ্গে দরাদরিতে পেরে না উঠে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দেনদরবার করছে। উভয় দেশের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ডিএসইকে দুটি প্রস্তাব ভালোভাবে মূল্যায়ন করতে বলেছে বাংলাদেশ স্টক এক্সচেঞ্জ। তাদের পরামর্শ এখনই কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়ার।
প্রসঙ্গত, চিনা প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভারতের যে কনসোর্টিয়াম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে তাতে যুক্ত আছে যুক্তরাষ্ট্রের নাসদাক ও ফ্রন্টিয়ার বাংলাদেশ। ডিএসই কর্তৃপক্ষকে দেওয়া প্রস্তাবে তারা জানিয়েছিল, স্টক এক্সচেঞ্জের আধুনিকায়নে তারা বিনিয়োগ করবে। একই সঙ্গে পাঁচ বছরের জন্য পর্ষদে দুজন প্রতিনিধি রাখার দাবিও ছিল তাদের।
ভিডিওতে আরো বিস্তারিত: