AOW Bangla News

প্রতিদিনে বাংলাদেশ সর্ম্পকীত যেকোন সংবাদ, তাছাড়া বাংলাদেশের সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীর শক্তি সর্ম্পকীত যেকোন সংবাদ। দুই বা ততোধিক দেশের মধ্যে সামরিক শক্তির দিক থেকে কে বেশি শক্তিশালী তাদের ভিডিও নিউজ আপডেট এবং সর্বপোরী জাতীয়, আর্ন্তজাতিক, বিনোদন ও খেলাধুলা সর্ম্পকীত যাবতীয় ভিডিও নিউজ আপডেট পাবেন AOW News ব্লগে। অবশ্যই AOW News ব্লগটি বুকমার্ক করে রাখুন যাতে করে পরবর্তীআতে আপনার খুঁজে পেতে সুবিধা হয়।

LightBlog

Breaking

bangladesh defense update লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
bangladesh defense update লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ১৫ মার্চ, ২০১৮

মার্চ ১৫, ২০১৮
এই লজ্জা বাংলাদেশের !! বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যর্থতা !! A Report on Bangladesh Army | BD Military 


বাংলাদেশের বার্ষিক বাজেটের ৬ শতাংশ বরাদ্দ থাকে সশস্ত্র বাহিনীর জন্য। সরকারী তথ্য মতে, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এর পরিমাণ হলো ৩.২ বিলিয়ন ডলার। এরপরও বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী প্রতিবেশী মিয়ানমার কর্তৃক ক্রমাগত স্থল, জল ও আকাশসীমা লঙ্ঘনের জবাবে নিজেদের শক্তি দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে।
আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব রক্ষার ব্যাপারে জনগণের আস্থা ফিরিয়ে দিতে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী। এই ব্যর্থতা যদি কোন বার্তা দিয়ে থাকে, তাহলে সেটা হলো সামরিক বাহিনী দেশকে রক্ষার জন্য যথেষ্ট সুসজ্জিত নয় কারণ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সামরিক বাহিনীর কার্যত কোন দায়বদ্ধতা নেই।
বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী উত্তরাধীকার সূত্রে ব্রিটিশ, ভারতীয় ও পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর কাঠামোর কিছুটা পেয়েছে। একই সাথে তাদের মানসিকতা তৈরি হয় বেসামরিক শাসনের বিরোধী হিসেবে। রাজনৈতিক শক্তিগুলোর বিরুদ্ধেও তারা থাকে স্পর্শকাতর। বাংলাদেশের ৪৬ বছরের ইতিহাসে ১৫ বছর সরাসরি দেশ শাসন করেছে সামরিক বাহিনী।
বিস্তারিত থাকছে ভিডিওতে - 

রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮

ফেব্রুয়ারী ১৮, ২০১৮

বাংলাদেশের গোয়েন্দা: সেরা এই ছয় ফোর্সের ভয়ে শত্রুপক্ষ কাঁপে- 2য় পর্ব

  • সোয়াট 

স্পেশাল উইপন্স অ্যান্ড ট্যাকটিক্স
আমেরিকার সোয়াট টিমের আদলে, তাদেরই অর্থায়নে, তাদেরই ট্রেনিংয়ে এবং তাদেরই সব ইক্যুইপমেন্টে সজ্জিত হয়ে বাংলাদেশেও যাত্রা শুরু করে তাদেরই সমান আকৃতির একটা সোয়াট টিম। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ স্পেশাল উইপন্স অ্যান্ড ট্যাকটিক্স টিম- সোয়াট।
ধরণ: ছোট্ট টিম, পুরোপুরি উদ্ধার অভিযান কেন্দ্রীক। সোয়াটের ধারণাটা সুন্দর। শুরু আমেরিকায়। যেসব সংস্থায় সশস্ত্র উদ্ধারকাজ দরকার হতে পারে, তেমন সব সংস্থার জন্য একই ধরনের একটা করে টিম গঠন করে দেওয়া হয়। এই টিমগুলির ট্রেনিং একই রকম, সামান্য এদিক সেদিক। 
কিন্তু তারা থাকবে লোকালাইজড সংস্থার সঙ্গে । যেমন, এফবআই’র নগরভিত্তিক প্রতিটা অফিসে, পুলিশের প্রতিটা বড় ইউনিটে ছোট একটা করে সোয়াট টিম, কোস্টগার্ড, বর্ডারগার্ড, কাস্টমস, ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন- সর্বত্র।
নিয়োগ: খুবই শক্তপোক্ত নিয়োগ হয় এই ফোর্সটায়। শারীরিক হার্ডওয়ার্কের উপর বিশেষ নজর দেওয়া হয়। আকৃতি: সব সোয়াট টিমই পঁচিশ-পঁয়তাল্লিশজনে সীমাবদ্ধ।
ট্রেনিং: লোকে বলে, ফুড সাপ্লিমেন্ট দিয়ে তাদের ব্যায়ামের পরিমাণ ও সহ্যক্ষমতা বাড়ানো হয়, তারপর এক্সটেন্সিভ এক্সারসাইজ এর মাধ্যমে তৈরি করা হয় মাসলম্যান।
গোপনীয়তা: মনে তো হয় খুব। কারণ, কোন অপারেশনের কথা জানা যায় না, স্ট্রিট ডিউটি (যা মূলত শো অফ) এই দেখা গেছে বাংলাদেশের সোয়াটদের।
কাজের ক্ষেত্র: ডিএমপি কমিশনারের সরাসরি নির্দেশে পরিচালিত।
বিশেষায়িত অস্ত্র: মার্কিন সোয়াট ও মেরিন স্ট্যান্ডার্ডের সব অস্ত্র। সামনে নাকি হামভি জিপও আনা হবে কাজে গতি সঞ্চারের জন্য।

ফেব্রুয়ারী ১৮, ২০১৮
বাংলাদেশের সেরা এই ছয় ফোর্সের ভয়ে শত্রুপক্ষ কাঁপে

বাংলাদেশের সন্তানরা নানা সংস্থার মাধ্যেমে দেশসেবায় নিয়োজিত আছে। সেনাবাহিনী, নৌ বাহিনী, বিমান বাহিনী, পুলিশ,বিজিবি, আনসার দেশের জন্য কাজ করে। এর পাশাপাশি অনেক গোয়েনন্দা সংস্থা ও বিশেষ বাহিনী বাংলাদেশে সক্রিয়। 

কাজের ধরন অনুযায়ি এসব বাহিনী পরিচিত। তবে গোয়েন্দা বাহিনীতে দেশের মেধাবীরা কাজ করছেন সবার আগোচরে। সরকারের উচ্চ পদস্থ ব্যক্তিরাই এ বিষয়ে ভালোভাবে অবহিত। স্পেশাল অপারেশন্স ফোর্স, গুপ্তচর, ইন্টেলিজেন্স, কমান্ডো- এইসব বিষয়ে সবারই একটা আগ্রহ থাকে। 

ওদের ট্রেনিং, কাজের ধরণ, গোপনীয়তা- সবকিছু যেন লাইভ থ্রিলার মুভি! বাংলাদেশেও স্পেশাল অপারেশন ফোর্স রয়েছে।
  • পিজিআর

প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট বা পিজিআর বেশ শক্তপোক্ত অবস্থানে ছিল জিয়া ও এরশাদ আমলে। স্বাভাবিক, তখন দেশ চালাতেন রাষ্ট্রপতি, তাই তাদের গার্ড রেজিমেন্টই হবে একটা স্পেশাল ফোর্স। কিন্তু পরে প্রধানমন্ত্রী নির্ভর রাষ্ট্রব্যবস্থা আসায়, প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের ওই পালক থাকল, থাকল স্পেশাল ফোর্স নামটা।
  • এনএসআই
জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা। ন্যাশনাল সিকউরিটি ইন্টেলিজেন্স। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা মহাপরিদফতর। ডাইরেক্টরেট জেনারেল অভ ন্যাশনাল সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স। যুগযুগ ধরে এই বেসামরিক সংস্থাটি বাংলাদেশের প্রাইম গোয়েন্দা সংস্থা ছিল। দেশের প্রতিটা জেলায়, প্রতিটা থানায় রয়েছে অফিস। সমস্ত কিছু হয় গোপনে। এমনকি তাদের হেডকোয়ার্টারও পুরোপুরি আন্ডারকাভার।
ধরণ:  রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও অখন্ডতা, বাইরের দেশের হুমকির বিষয়গুলি দেশের ভিতরে ট্যাকল করা, কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স। গোয়েন্দা তথ্য জোগাড় করে তা বিশ্লেষণ করা ও প্রয়োজন অনুসারে সরকারকে জানানো।