মিয়ানমার বনাম বাংলাদেশ নৌ বাহিনী | সমরশক্তিতে কে বেশি এগিয়ে ?? Myanmar VS Bangladesh Navy Power |
বাংলাদেশের বহরে ফ্রিগেট রয়েছে ৬ টি ও মিয়ানমারের ও ৬ টি। তবে মিয়ানমারের ফ্রিগেট গুলি উন্নত না হওয়ায় সমরবিদ রা একে কর্ভেট ক্যাটাগরিতে ফেলতেই পছন্দ করেন।
বাংলাদেশের ফ্রিগেটের মিসাইলের রেঞ্জ যেখানে ২২০ কি.মি সেখানে মিয়ানমারের মিসাইলের রেঞ্জ ১০০ কি.মি
এক্ষেত্রেও বাংলাদেশ মিয়ানমার সমান সমান অর্থাৎ দুপক্ষের ই ৪ টি করে কর্ভেট আছে। তবে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ক্লাস কর্ভেট এর ফায়ার পাওয়ার উন্নত হওয়ায় একে অনেকে লাইট ফ্রিগেট ও বলে থাকেন।
বাংলাদেশের কর্ভেটের মিসাইল রেঞ্জ ১৮০ কি.মি তাই এক্ষেত্রেও মিয়ানমার পিছিয়ে।
বাংলাদেশের বহরে রয়েছে দুটি টাইপ-০৩৫ মিং ক্লাস সাবমেরিন অন্যদিকে মায়ানমারের বহরে কোন সাবমেরিন নেই। এমনকী,বাংলাদেশের সাবমেরিন ধ্বংসের মতো কোন অস্ত্র মিয়ানমারের হাতে নেই
বিস্তারিত থাকছে ভিডিওতে-
বাংলাদেশের বহরে ফ্রিগেট রয়েছে ৬ টি ও মিয়ানমারের ও ৬ টি। তবে মিয়ানমারের ফ্রিগেট গুলি উন্নত না হওয়ায় সমরবিদ রা একে কর্ভেট ক্যাটাগরিতে ফেলতেই পছন্দ করেন।
বাংলাদেশের ফ্রিগেটের মিসাইলের রেঞ্জ যেখানে ২২০ কি.মি সেখানে মিয়ানমারের মিসাইলের রেঞ্জ ১০০ কি.মি
এক্ষেত্রেও বাংলাদেশ মিয়ানমার সমান সমান অর্থাৎ দুপক্ষের ই ৪ টি করে কর্ভেট আছে। তবে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ক্লাস কর্ভেট এর ফায়ার পাওয়ার উন্নত হওয়ায় একে অনেকে লাইট ফ্রিগেট ও বলে থাকেন।
বাংলাদেশের কর্ভেটের মিসাইল রেঞ্জ ১৮০ কি.মি তাই এক্ষেত্রেও মিয়ানমার পিছিয়ে।
বাংলাদেশের বহরে রয়েছে দুটি টাইপ-০৩৫ মিং ক্লাস সাবমেরিন অন্যদিকে মায়ানমারের বহরে কোন সাবমেরিন নেই। এমনকী,বাংলাদেশের সাবমেরিন ধ্বংসের মতো কোন অস্ত্র মিয়ানমারের হাতে নেই
বিস্তারিত থাকছে ভিডিওতে-
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন