সিরিয়া যুদ্ধ | কে, কেন, কার বিরুদ্ধে লড়ছে কেউ জানে নাহ | প্রমাণ নেই সয়ং জাতিসংঘের কাছে | Syria War
সিরিয়ার যুদ্ধ বিভিন্ন ময়দানেই চলছে। একটা হলো অস্ত্রের লড়াইয়ের ময়দান। সেখানে চলছে কামান, মেশিনগান, ট্যাংকের গোলা। বিমান হামলায় শিশুদের রক্তে ভেসে যাচ্ছে সিরিয়ার মাঠ-প্রান্তর। আরেকটি হচ্ছে জনমতের ময়দান, যার প্রধান অস্ত্র গণমাধ্যম। সেখানেও লড়াই হচ্ছে বিস্তর, তা প্রচারণায় ভরপুর। সিরিয়ার যুদ্ধ হচ্ছে প্রচারণা আর রটনার যুদ্ধ।
সব যুদ্ধেই মিথ্যা এক বড় অস্ত্র। সাদ্দামের গণবিধ্বংসী অস্ত্রের মিথ্যার পরণতিতে দেশটা ধ্বংস হয়ে যায়। মূলধারার পশ্চিমা গণমাধ্যম সে ব্যাপারে অনুতপ্ত বলে মনে হয় না। নইলে সিরিয়া বিষয়েও তারা সতর্ক হতো। বিভিন্ন পক্ষ নিজেদের মতো করে তথ্য দিচ্ছে। আজ থেকে ১৫-২০ বছর আগে হলে সিরিয়ার যুদ্ধের সর্বশেষ অবস্থা জানার জন্য পুরোপুরিই পশ্চিমা নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যমের ওপর নির্ভর করতে হতো।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যাপক বিকাশের কারণে এখন অনেক তথ্যই প্রকাশ হয়ে পড়ছে। এতে করে পশ্চিমা গণমাধ্যমের দ্বৈত চরিত্র অনেকটাই বেরিয়ে পড়ছে। বিতর্কিত হয়ে পড়েছে পশ্চিমের তথাকথিত নিরপেক্ষ গণমাধ্যম।
বিস্তারিত থাকছে ভিডিওতে-
সিরিয়ার যুদ্ধ বিভিন্ন ময়দানেই চলছে। একটা হলো অস্ত্রের লড়াইয়ের ময়দান। সেখানে চলছে কামান, মেশিনগান, ট্যাংকের গোলা। বিমান হামলায় শিশুদের রক্তে ভেসে যাচ্ছে সিরিয়ার মাঠ-প্রান্তর। আরেকটি হচ্ছে জনমতের ময়দান, যার প্রধান অস্ত্র গণমাধ্যম। সেখানেও লড়াই হচ্ছে বিস্তর, তা প্রচারণায় ভরপুর। সিরিয়ার যুদ্ধ হচ্ছে প্রচারণা আর রটনার যুদ্ধ।
সব যুদ্ধেই মিথ্যা এক বড় অস্ত্র। সাদ্দামের গণবিধ্বংসী অস্ত্রের মিথ্যার পরণতিতে দেশটা ধ্বংস হয়ে যায়। মূলধারার পশ্চিমা গণমাধ্যম সে ব্যাপারে অনুতপ্ত বলে মনে হয় না। নইলে সিরিয়া বিষয়েও তারা সতর্ক হতো। বিভিন্ন পক্ষ নিজেদের মতো করে তথ্য দিচ্ছে। আজ থেকে ১৫-২০ বছর আগে হলে সিরিয়ার যুদ্ধের সর্বশেষ অবস্থা জানার জন্য পুরোপুরিই পশ্চিমা নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যমের ওপর নির্ভর করতে হতো।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যাপক বিকাশের কারণে এখন অনেক তথ্যই প্রকাশ হয়ে পড়ছে। এতে করে পশ্চিমা গণমাধ্যমের দ্বৈত চরিত্র অনেকটাই বেরিয়ে পড়ছে। বিতর্কিত হয়ে পড়েছে পশ্চিমের তথাকথিত নিরপেক্ষ গণমাধ্যম।
বিস্তারিত থাকছে ভিডিওতে-
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন